১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ২০২৫ ,বাঙালি জাতির ইতিহাসের এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ ও সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত এই স্বাধীনতা।
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ২০২৫ ,বাঙালি জাতির ইতিহাসের এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ ও সীমাহীন ত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত এই স্বাধীনতা। বিজয়ের এই মাহেন্দ্রক্ষণে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করা হচ্ছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের আত্মত্যাগে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
সারা দেশের মতো রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ও নানা উৎসব মুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উৎযাপন করা হয।আজ এই মহান বিজয় দিবসে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে তানোর উপজেলা চত্বরে একত্র মাধ্যমে বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এরপর শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার নাঈমা খান, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, থানা পুলিশ, আনসার ভিডিপি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-ছাত্রছাত্রীবৃন্ধ ও নানা সংগঠনের নেতাকর্মীগন সহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।পুস্পমাল্য অর্পন শেষে পরবর্তীতে তানোর ডাকবাংলো মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দিক নির্দেশনা মূলক বক্তৃতা, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন, চারুকারু ও স্থানীয়ভাবে শিল্প পণ্যের বিজয় মেলা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ডিসপ্লে প্রদর্শনে একাধিক প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করে চমৎকার প্রদর্শন উপহার দেন।
আজকের বিজয় দিবসের গুরুত্বপূর্ণ নানা দিক নির্দেশনা মূলক প্রদর্শন এবং আলোচনা শুনে নতুন প্রজন্ম দের মনে মুক্তি যুদ্ধের তাৎপর্য পূর্ণ ইতিহাস গেঁথে যায়। প্রদর্শন শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অন্যান্য অফিসারের সমন্বয়ের মাধ্যমে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আজ এই মহান বিজয় দিবসের উৎযাপন দেখতে জনসাধারণের উৎসব মুখর উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়। সব শেষে জাতির শান্তি, সম্মৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে মোনাজাত/ প্রার্থনা করা হয়।